Wednesday, November 17, 2010

'Statement of Purpose' for Bioinformatics program, Memphis, TN

Here I published the 'Statement of Purpose' what I used for getting admission in Bioinformatics program of University of Memphis at Tennessee, USA.

Writing this SOP was started while I was getting back home through my Aktel stuff bus. The backbone was written on my mobile LG KU 990 as a note. I fulfilled its 1000 characters limit.

You can read it here on my scribd.com space. You can also download it ... But I will strongly prohibit to using just 'copy-paste'.

my SOP for MS in Bioinformatics in Memphis, Tennessee, USA
Thanks for reading !

Sunday, September 26, 2010

****** আপা

******আপা,****** আপা
হাসিকেন মাপা মাপা,
কোনএকটা মাছের মত
তোমারহাসি একটু চাপা

ক্ষমতায় আসার পরই তোমার
ভরলো দুটা গাল,
তোমার চাপার জোর বাতাসে
ফুললো নৌকার পাল

তোমার চাপার জোর বাতাসে
দেশবাসী থর থর,
তোমার গলার আওয়াজ শুনে
করে উঠে ধর মর

মিথ্যে বুলির জাহাজ তুমি,
ধন্য তোমার মুখ,
কেবল তুমি চাপার জোরেই
ভরালে দেশের বুক

আপা, তুমি কত পড়?
জোয়ার উঠেছে নলেজের?
ডিগ্রীর মালা দিতে বিদেশী
লাইন লেগেছে কলেজের

তোমার জ্ঞানের জোয়ারে তো
ভেসে গেল দেশটা,
ছাত্ররা সব কলম রেখে
উঠে গেল শেষটা

ভাল্লাগে না, ভাল্লাগে না
এর বেশি আর পড়তে
অস্ত্র হাতে উঠলো ওরা
‘খেলাধুলা’ করতে

তোমার বুকের সোনার মানিক
ধন্য ওদের বল
‘খেলা’ দেখার ভয়ে সবাই
আতঙ্কে টলমল

‘ভয় পেওনা, ভয় পেওনা
খেলা বাকি আছে’,
‘এক এক করে দেখিয়ে যাবো
ভয় পেওনা পাছে’

আচ্ছা আপা, ইচ্ছে তোমার
অভিনয়ে তুমি নামবে?
এত এত ডিগ্রীর পরেও
অস্কারও কাছে টানবে?

মা বাপ কেউ নেই বলে কেন
মঞ্চে উঠেই কাঁদ ?
আচ্ছা আপা, ভোরে উঠে
রোজই কি গলা সাধ ?

শান্তি তুমি আনছ ফিরে
এই দেশেরই বুকে
তাই তো ওরা মাতম করে
কাঁদছে মনের সুখে

কত মায়ের বুক থেকে আর
কাড়বে বুকের ধন ?
দেশটা বিরান করেই দেবে
এই করেছ পণ?

আচ্ছা বুবু, দিল্লী থেকে
কত বেতন পাও মাসে ?
এদিক অধিক থেকেও
তোমার কত ইনকাম আসে ?

ধন্য আপা, ধন্য বুবু
ধন্য তোমার শোক
দেশের **ছায় বাঁশ দিয়া কও
দেশ চিরজীবী হোক

-------------------------------------------------------------
[লেখক জীবনেরমায়ায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক]
রচনা: ২৫শে এপ্রিল, ২০০০
রিলিজ:২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০১০

আম্রিকা: নতুন জীবনের সাথে নতুন ব্যথা

আজ দুপুরে আম্রিকান এম্বাসী থেকে পাসপোর্ট হাতে পাইলাম; একটু ভারী, ভিসা স্টিকারটার জন্য।
সেই সাথে মনটাও একটু ভারী, সব প্রিয়জন কে একসাথে হারাবার আগাম ব্যথায়।

মাথা আনন্দে গিজগিজ করছে; আর মন ব্যথায়।
দ্বিত্বতা মানুষের সব কিছুতেই; চাওয়া-পাওয়া সব কিছুতেই। আর মানুষেরই বা কি করা; মানুষের DNA টাই তো double-helix 

কিছুদুর রিক্সায় এসে এরপর উঠলাম ঢাকার ঐতিহ্য ৬ নম্বর বাসে। বাস চললো ধুকে ধুকে। কিন্তু এখন ২৭-বছর ধরে চেনাজানা ঢাকার সবকিছুই কেমন যেনো ভাল লাগতে শুরু করেছে। এমনকি রাস্তার জ্যাম, ঘামে ভেজা মানুষগুলার বেছে থাকার সংগ্রাম, একটা বাচ্চা মেয়ের বাসে উঠে স্লিপ বিলিয়ে কাঁচা ভাষায় সাহায্য চাওয়া, গুলশান লেক থেকে ভেসে আসা বাতাস; সবকিছুই। মানসিক এই প্রতিক্রিয়াটার কি কোন নাম আছে? কি বলা যায়, Pre-emptive Nostalgic Syndrome (PNS)? জ্ঞানী-গুনী কারো জানা থাকলে একটু বইলা দিয়েন।

এখন হুরাতাড়া করে সব গোছাও, শপিং গুলা সারো, টিকেট কনফার্ম করো, ব্যাগ গোছাও, কি নিবা কি ছাড়বা ঠিক করো... ইত্যাদি ইত্যাদি।

এম্বাসী ভিসা দিতে দেরি করলো অনেক; তাই তাড়াহুড়া।
কিন্তু এই তাড়াহুড়ার ভাঁজে-ভাঁজে কি প্রিয়জন হারানোর ব্যথা ভুলে থাকার অভিনয় নেই ?


[আমার এই লেখাটা প্রথম প্রকাশিত হয় সচলায়াতনে অতিথি লেখক হিসেবে ]